ইভ্যালি গরুর হাট-এ পাওয়া যাবে কোরবানির পশু

1 ২২৮

২০১৯ সালের ১৬ই ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করেই নিত্য নতুন অফার ও ছাড়-এর পাশাপাশি প্রোডাক্ট ক্রয়ে ক্যাশব্যাকসহ বেশ কিছু ব্যতিক্রমী বিপণন কৌশল অবলম্বন করে আলোচিত সমালোচিত ইভ্যালি ডট কম ডট বিডি। সল্প সময়ে দেশের এক নম্বর ই-কমার্স প্লাটফর্ম পরিনত হওয়া এই জায়ান্ট আসছে কোরবানির ঈদ ২০২১ কে সামনে রেখে চালু করতে যাচ্ছে ‘ইভ্যালি গরুর হাট’। বর্তমানে চলমান করোনা পরিস্থিতিতে মানুষ কোরবানির পশুর হাটে না গিয়েই যাতে ঘরে বসে মুসলমানদের বড় একটি ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা ২০২১ -এ নির্বিগ্নে কোরবানির পশু কিনতে পারে সেই লক্ষ্যে দেশের অন্যতম বৃহত ও বিশ্বস্ত ই-কমার্স জায়ান্ট চালু করতে যাচ্ছে ভার্চুয়াল এই গরু-ছাগলের হাট।

জানা যায়, দেশসেরা এই ই-কমার্স প্লাটফর্ম নিত্য চমকে হিসেবে এই ভার্চুয়াল কোরবানির হাটে পাওয়া যাবে দেশের অন্যতম গোরুর ফার্ম আলমগীর লর‍্যাঞ্চ লিমিটেডের গরু। অর্থাৎ আসছে কোরবানির ঈদে দেশজুড়ে ইভ্যালির ৪০ লাখ কাস্টমার কিনতে পারবেন দেশের সেরা ফার্মের গরুগুলো।

৮ জুন ২০২১ ইভ্যালি ও আলমগীর র‍্যাঞ্চ লিমিটেড একটি সমঝোতা চুক্তি করে যেখানে দেশসেরা এই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেল উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে, দেশের সেরা গরুর উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আলমগীর র‍্যাঞ্চ লিমিটেডের পক্ষে ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও লাবিব গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা জাহান এবং লাবিব গ্রুপের চেয়রাম্যান সালাহউদ্দীন আলমগীর।

দুই ক্যাটাগরিতে সেরা এই প্রতিষ্ঠানের কর্তা ব্যক্তিরা বলেন, করোনার এই পরিস্থিতিতে দেশের মানুষকে ঘরে বসে কোরবানির পশু কেনা ও তা গ্রাহকের নিকট পৌছানোর শুধু সময়ের ব্যপার। যুগপৎ এই সিদ্ধান্তে আরো একধাপ এগিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের বাস্তবায়ন। এখন আমাদের কোরবানির গরু লাইভ হওয়া বাকি। আমরা সুনির্দিষ্ট সময়ে গ্রাহককে তার পছন্দের ঠিকানা কোরবানির গরু পৌঁছাতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাব।

উক্ত সমঝোতা চুক্তি ও যৌথ সংবাদ সম্মেলনে উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, এখনই ”ইভ্যালি গরুর হাট” শপ হতে গরু প্রি-অর্ডার করলেই কোরবানির আগ পর্যন্ত গরু লালন-পালন করবে আলমগীর  র‍্যাঞ্চ লিমিটেড, যার জন্য কোনো ধরনের ব্যয় গ্রাহকে বহন করতে হবে না।

ইভ্যালি গরুর হাটে গরু কিনতে গ্রাহককে গরুর ওজনের উপর ভিত্তি করে দাম দিতে হবে। তবে, পূর্বেই কেনা গরুর ওজন বৃদ্ধির জন্য ডেলিভারির সময় কোনো ধরনের অতিরিক্ত মূল্য পরিশোধ করতে হবে না। এছাড়া, গ্রাহক কর্তৃক সরবরাহের ঠিকানা কোরবানির তিন/চার দিন পূর্বেই পৌঁছে দিতে যৌথভাবে কাজ করবে ইভ্যালি ও আলমগীর র‍্যাঞ্চ লিমিটেড।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইভ্যালি তাদের কর্মপরিধির সম্প্রসারন ও মূলধারার ই-কমার্স কার্যক্রমে ফিরতে চালু করলো ইভ্যালি প্রায়েরিটি স্টোর যেখানে একজন গ্রাহককে তার অর্ডারকৃত পণ্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঢাকায় এবং ঢাকার বাহিরে সর্বোচ্চ ৭২ ঘন্টার মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া, অর্ডার করা পণ্যের মূল্য সমপরিমাণ রিওয়ার্ড পয়েন্ট গ্রাহককে দেওয়া হবে যার দ্বারা গ্রাহককে বিভিন্ন লেভেলে ভাগ করা হবে। ইভ্যালি রিওয়ার্ড পয়েন্ট এর উপর ভিত্তি কর পরবর্তীতে সাইক্লোনসহ অন্যান্য অফারের পণ্য ডেলিভারিতে ব্যবহার কর  হবে।

 

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.