এটিএম ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং-এ চার্জ নির্ধারন

0 ১০০

বাংলাদেশের তফসিলি কোনো ব্যাংক কর্তৃক হস্যুকৃত ক্রেডিট কার্ড (Credit Card) বা ডেবিট কার্ড (Debit Card) কিংবা ইন্টারনেট ব্যাংকিং (Internet Banking) চ্যানেল বা ওয়েব এপস ব্যবহার করে এনপিএসবি মাধ্যমে অন্য কোনো ব্যাংক একাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার কিংবা অন্য কোনো ব্যাংকের এটিএম (ATM) বা পয়েন্ট অব সেলস (POS) ব্যবহার করে নগদ টাকা উত্তোলন করলে গ্রাহক ও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাংককে মাশুল গুণতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত ১৮ অক্টোবর ২০২১ তারিখে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে। বাংলাদেশ ব্যাংক হতে জারীকৃত এই নির্দেশনায় পূর্বের কয়েকটি আদেশের সাথে নতুন মাশুল নির্ধারনের বিষয়টি সংযোজিত হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপন হতে জানা যায়, এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকে অর্থ লেনদেন করলে তার জন্য মাশুল বা চার্জ গুনতে হবে। এক্ষেত্রে, ইন্টারনেট ব্যাংকিং (ওয়েব বা এপস দ্বারা) ফান্ড ট্রান্সফার বা তহবিল হস্তান্তরে সর্বোচ্চ চার্জ হবে ১০ টাকা।

এদিকে, ‘বাংলা কিউআর’ মার্চেন্ট পয়েন্টে পেমেন্টের ক্ষেত্রে মোট লেনদেনের ০.৭% চার্জ কর্তন করা যাবে যার ০.৪% চার্জ কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানকে বহন করতে হবে।

এছাড়া, বাংলাদেশী কোনো প্রতিষ্ঠান হতে ইস্যুকৃত ক্রেডিট কার্ড (Credit Card) বা ডেবিট কার্ড (Debit Card) ব্যবহার করে সরকারি কোনো পরিসেবার মূল্য পরিশোধ করলে গ্রাহককে ২৫০০০/- টাকার জন্য ২০ টাকা চার্জ বা মাশুল দিতে হবে। পরিসেবা মূল্য ২৫ হাজার টাকার বেশি হলে প্রচলিত ব্যাংক লেনদেনের চার্জ প্রযোজ্য হবে।

এছাড়া, পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) ব্যবহার করে নগদ টাকা উত্তোলন করা হলে প্রতি লেনদেনে সর্বোচ্চ ২০ টাকা মাশুল দিতে হবে গ্রাহককে। এনপিএসবির আওতায় এক ব্যাংকের গ্রাহক অন্য ব্যাংকের পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) ব্যবহার করে মার্চেন্ট পেমেন্টের ক্ষেত্রে অ্যাকোয়ারিং ব্যাংক/প্রতিষ্ঠান মার্চেন্ট হতে মোট লেনদেনের অন্যূন ১.৬% এমডিআর বাবদ আদায় করবে। যার মধ্য হতে আইআরএফ বাবদ ১.১% কার্ড ইস্যুয়িং ব্যাংক/প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করবে।

এই প্রজ্ঞাপন জারির পূর্ব পর্যন্ত এতদিন এক ব্যাংকের কার্ডধারীদের অন্য ব্যাংকের এটিএম হতে নগদ উত্তোলন, স্থিতি দেখার জন্য শুধু চার্জ দিতে হতো।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.